শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী ( রহ ) পাক-ভারত মুসলমানদের এই বিশেষ অবস্থা এবং সাধারণভাবে মুসলিম বিশ্বের দীনি চিন্তার এই বন্ধ্যাত্বের মুহূর্তে একান্ত প্রয়োজন অনুভূত হচ্ছিল। এক আলোর দিশারীর- যিনি তত্ত্ব ও দর্শনগত দিক থেকে মুসলিম মিল্লাতের সামনে কুরআন ও সুন্নাহর অনুশাসনগুলোর সঠিক তাৎপর্য স্পষ্টরূপে তুলে ধরবেন। যারা চিন্তা- গবেষণার মাধ্যেমে ইসলামী পুনর্জাগরণের পথ উন্মক্ত হয়ে উঠবে এবং মুসলিম মিল্লাহ ইসলামকে শুধু মসজিদ-মাদ্রসা এ খানকার চার দেয়ালের অন্তর্ভক্ত তথাকথিত ধর্মই মনে করবেন: বরং একে একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান রূপে মেনে নিয়ে জীবনের সকল ক্ষেত্রে একমাত্র তারাই প্রাধান্য প্রতিষ্ঠান জন্য সংঘবদ্ধ ভাবে সংগ্রাম করে যাবে, ইসলামের মধ্যে তারা খোঁজ করবে নিজেদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক সমস্যাবলীর সমাধান। আল্লাহর অসীম অনুগ্রহে ঠিক ঐ সময়ই এ মহান দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্য দিল্লীর এক সম্ভ্রান্ত আল্লাহভীরু পরিবারে এক শিশুর জন্ম হয়। উত্তরকালে ইনিই মুসলিম মিল্লাতের বিশেষ করে পাক-ভারত বাংলা উপমহাদেশে ইসলামী চিন্তার দিক থেকে মুসলিম পনর্জাগরণেরে অগ্রদূত হিসাবে সারা দুনিয়ার ইমাম শাহ ওয়...
আসসালামু আলাইকুম, এই ব্লগ হাদিয়ে বাঙ্গাল হযরত মাওলানা শাহ্ কারামত আলী জৈনপুরী রহ. এর জন্য উৎসর্গ। যার জন্য আমরা ইসলাম ও সুন্নীয়াত পেয়েছি।