দার্শনিক শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী ( রহ ) ও তাঁর চিন্তাধারা হিজরী পঞ্চম শতক পর্যন্ত মুসলমানগণ সাহিত্য, সংস্কৃতি, কাব্য, ইতিহাস, দর্শন, আইনশাস্ত্র, গণিতশাস্ত্র চিকিৎসাশাস্ত্র, রসায়নশাস্ত্র, স্থাপত্যশিল্প, রাজ্য জয় তথা বৈষয়িক দিক থেকে সমগ্র বিশ্বে উন্নতির উত্তুঙ্গ চৃড়ায় সমাসীন থাকলেও তার পরবর্তীকালে সারা মুসলিম জাহানে চিন্তার বন্ধ্যান্ত্ব দেখা দেয়। বিশেষ করে ধর্মীয় চিন্তার ক্ষেত্রে এমন স্থবিরতা পরিলক্ষিত হয় যে, ইসলামী জ্ঞান-গবেষণা ও স্বাধীন চিন্তার দ্বার এক রকম বন্ধ হয়ে যায়। এমন কি কুরআন ও সুন্নাহ সম্পর্কে চিন্তা-গবেষণা ও তার ব্যাখ্যার ব্যাপারে কেবল চোখ বুঁজে পূর্ববর্তীদের অনুসরণই করা হতো না বরং অনেক জটিল সমস্যার ক্ষেত্রেও মনে করা হতো যে, এ ব্যাপারে উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর গবেষণার যুগ হিজরী চতুর্থ শতক পর্যন্তই শেষ হয়ে গেছে এবং পরবর্তী লোকদের এ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার কোন অধিকার নেই। এছাড়া এমনিতেও দেখা যায়, খুলাফায়ে রাশেদীনের পর থেকে চতুর্থ হিজরী পর্যন্ত ইসলামের জন্য নিবেদিত প্রাণ ইমাম-মুজতাহিদগণ এক দিকে বেসরকারী পর্যায়ে ইসলামী চিন্তা-গবেষণ...
আসসালামু আলাইকুম, এই ব্লগ হাদিয়ে বাঙ্গাল হযরত মাওলানা শাহ্ কারামত আলী জৈনপুরী রহ. এর জন্য উৎসর্গ। যার জন্য আমরা ইসলাম ও সুন্নীয়াত পেয়েছি।